নিয়াম শেখ, জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সাঘাটায় জমির বৈধ ক্রেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীর পরিকল্পিত অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক স্বামী।
আজ সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধার সাপ্তাহিক অবিরাম পত্রিকা অফিসে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জমি বিক্রেতা মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, তিনি সেনাবাহিনীতে চাকরিকালীন সময়ে সঞ্চিত অর্থ দিয়ে সাঘাটার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ডাকবাংলা বাজারস্থ ঝাড়াবর্ষা মৌজায় জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে স্ত্রী সানজিদা শেলী শাপলার যৌথ সিদ্ধান্তে সেই আড়াই শতক জমির ওপর তিনতলা ভবন নির্মাণ করে তারা বসবাস শুরু করেন। কিন্তু পারিবারিক ও আর্থিক প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী এলাকার অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমানের কাছে গত ৮ এপ্রিল রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে তিনি ভবনসহ জমিটি বিক্রি করে দেন।
আশরাফুল ইসলাম আরও জানান, জমি রেজিস্ট্রির পর স্ত্রী শাপলা, শ্বশুর শাহাদুজ্জামান সাজু এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতেই ভবন ও জমির দখল নতুন ক্রেতা অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমানের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে জমি বিক্রির পর থেকেই স্ত্রী শাপলা ক্রেতা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার শুরু করেন।
একপর্যায়ে গত ৮ মে সানজিদা শেলী শাপলা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বাড়ি থেকে জিল্লুর রহমানের নিয়োজিত কেয়ারটেকার আসাদুজ্জামানকে বের করে দেন। এই ঘটনায় আসাদুজ্জামান গত ২০ মে সাঘাটা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা (নং- ৬৭/২০২৬) দায়ের করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার পর শাপলা স্বেচ্ছায় রাতেই বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
সংবাদ সম্মেলনে আশরাফুল ইসলাম দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, তিনি কোনোভাবেই নেশাগ্রস্ত নন এবং অনলাইনে জুয়াও খেলেন না। তার স্ত্রী শাপলা জমির ক্রেতা অ্যাড. জিল্লুর রহমানের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন। তিনি এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনগত পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় এলাকার লিয়াকত আলী, আসাদুজ্জামান পারভেজ ও আশরাফুলসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
কদমতলী, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৮৮
জিনজিরা, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৬৯৯


















