ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান বাদী হয়ে মামলা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান।
প্রাথমিক ময়নাতদন্তে জানা গেছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলার গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালী কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আরও প্রায় ২০টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা আত্মরক্ষার সময় লেগে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন এবং ৯ দফা দাবি জানান। এর মধ্যে রয়েছে হত্যাকারীর দ্রুত বিচার, ক্যাম্পাসে সিসিটিভি স্থাপন ও বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ।
বাদ জোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে বেতন সংক্রান্ত বিরোধ ও বদলির জেরে সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমানের ছুরিকাঘাতে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন আসমা সাদিয়া রুনা। অভিযুক্ত বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
কদমতলী, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৮৮
জিনজিরা, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৬৯৯


















