মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের অনতিবিলম্বে দেশত্যাগ বা নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে চীন। বেইজিং বলছে, চলমান সংঘাত ক্রমেই বিস্তৃত ও প্রাণঘাতী রূপ নিচ্ছে।
ইসরায়েলে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের সাম্প্রতিক সতর্কবার্তায় জানানো হয়, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিধি, সংখ্যা এবং তীব্রতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সতর্কসংকেত পাওয়ার পরও সময়মতো আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছাতে না পারায় হতাহতের ঘটনা বাড়ছে। এ অবস্থায় নাগরিকদের ‘কোনো ঝুঁকি না নেওয়ার’ কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তাবা সীমান্ত দিয়ে উদ্ধার তৎপরতা
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় বিশেষ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে চীন। দূতাবাস জানিয়েছে, আগামী ২৫ মার্চ মিসরের তাবা সীমান্তপথ দিয়ে আরেকটি দলকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নাগরিকদের দ্রুত নিবন্ধন করে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে যারা এখনও ইসরায়েল ত্যাগ করতে পারেননি, তাদের নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে তেল আবিব, হাইফা ও জেরুজালেমের কেন্দ্রীয় অঞ্চল এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কঠোর সতর্কতায় দূতাবাস
দূতাবাসের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেল শোধনাগারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং সামরিক স্থাপনার কাছাকাছি অবস্থান না করতে। এসব অবকাঠামো বর্তমানে হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলের পশ্চাদপট কমান্ডের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং আশ্রয়কেন্দ্রের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
আগেও ইরান থেকে সরানো হয় নাগরিক
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ইরান থেকেও হাজার হাজার নাগরিককে সরিয়ে নিয়েছিল বেইজিং। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে দেশটি।
বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর উল্লেখ করে নতুন যেকোনো নির্দেশনা দ্রুত অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: রয়টার্স, এএফপি, আল জাজিরা, বিবিসি, চীনা দূতাবাসের বিবৃতি।
কদমতলী, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৮৮
জিনজিরা, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৬৯৯
















