বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে রাজনৈতিক অঙ্গনে। খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়।
এর আগে, সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাসপাতালে ছুটে যান। তার উপস্থিতিতেই চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৮ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল ত্যাগ করেন তারেক রহমান। এ সময় তাকে গভীর শোকাহত ও বিমর্ষ অবস্থায় দেখা যায়। গাড়ির সামনের আসনে বসে নীরবে হাসপাতাল এলাকা ত্যাগ করেন তিনি।
হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকে। কেউ কেউ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আহাজারি করেন, আবার অনেকে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। নেতাকর্মীদের কান্না ও বিলাপে পুরো হাসপাতাল এলাকা হয়ে ওঠে আবেগঘন।
শোকাহত নেতাকর্মীরা বলেন, “আমাদের মা, বাংলাদেশের মা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। সারা জাতি আজ শোকে মুহ্যমান।” তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আজীবন দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করে গেছেন। তার মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
হাসপাতাল চত্বরে শোক, কান্না ও মাতমে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কদমতলী, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৮৮
জিনজিরা, কেরানীগঞ্জ
📞 ০১৯৮৩৬০০৬৯৯

















